logo
মা হয়েও থামেন নি যারা

মা হয়ে ক্যারিয়ারে ফোকাস করে কিছু জয় করা ত একরকম অসম্ভবই বটে। সেই অসম্ভবকেই সম্ভব করেছেন কেউ কেউ। মা দিবসে 'খেলবেই বাংলাদেশ' এর পক্ষ থেকে তাদের জানাই শ্রদ্ধা… জেনে নেয়া যাক তাদের কথা

 

সেরেনা উইলিয়ামসঃ 

টেনিস খেলোয়াড় সেরেনা উইলিয়ামসের কীর্তি ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে। সর্বকালের সেরা টেনিস খেলোয়াড়দের একজন অবশ্যই সেরেনা। মা হওয়ার পর কেবল মাঠে ফিরে আসাই নয়, সেরেনা অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জিতেছিলেন আট মাসের গর্ভবতী থাকাকালীন। পরবর্তীতে জানা যায় অস্ট্রেলিয়ান ওপেন শুরুর অল্প কিছুদিন আগে তিনি জেনেছিলেন নিজের গর্ভাবস্থার কথা। মা হওয়ার পরে আবারো ফিরেছেন টেনিসের কোর্টে। সেরেনার শক্তি কিংবা মানসিক দৃঢ়তা বর্তমানে অন্য কোথাও খুঁজে পাওয়া বেশ কষ্টকরই বটে।  

 

serena-williams

 

কিম ক্লাইস্টার্সঃ  

এই নারী অ্যাথলেট যেন মাতৃত্বের শক্তি আর মাহাত্ম্যকে নিয়ে গেছেন অন্য উচ্চতায়। নিজের কন্যা সন্তানের জন্ম দেওয়ার পরে কোর্টে ফেরার সিদ্ধান্তটাই ছিল বিশাল কিছু। সেই বিশাল বিশালতর হয়ে গেছে ২০০৯ এর ইউএস ওপেন জয়ের পর। যেখানে নিজের কন্যা সন্তান জন্ম দেওয়ার পরে কোর্টে ফিরে ফাইনালে হারিয়ে দেন ক্যারোলিন ওজনিয়াকিকে। এর আগে এই বেলজিয়ানের গ্র‍্যান্ড স্লাম ছিল কেবল একটা, ২০০৫ এ। কিমের এই সাফল্য পরে অনুপ্রাণিত করেছে হাজারো মানুষকে। 

 

কিম-ক্লাইস্টার্স

 

ম্যারি কমঃ 

ম্যারি কমের পেশাদার বক্সিং ক্যারিয়ারের শুরুর দিকটা অতটা রঙিন ছিল না। জমজ সন্তানের মা হওয়ার পরই যেন সাফল্য ধরা দিতে শুরু করল। মা হওয়ার শক্তি ম্যারির ক্যারিয়ারে রাখল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। খেলাপাগল ম্যারিকে রিং থেকে দূরে রাখা যায় নি। ভারতের অন্যতম সেরা একজন বক্সার হয়েছিলেন ম্যারি কম। প্রথমা ভারতীয় নারী অ্যাথলেট হিসেবে ২০১২ 'র লন্ডন অলিম্পিকে জিতেছিলেন মেডেল, ২০১৪ তে এশিয়ান গেমসে জিতেছিলেন স্বর্ণ। 

 

মেরি-কম

 

নিয়া আলিঃ 

ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নিয়া একের পর এক রেকর্ড ভাঙছিলেন। ওয়ার্ল্ড ইনডোর চ্যাম্পিয়নশিপে ১০০ মিটারে হার্ডেল ট্র‍্যাক ফিল্ডে জিতেছিলেন ৭.৮০ সেকেন্ডের দারুণ টাইমিংয়ে। ২০১৫ সালের ছেলের জন্মের কারণে বিরতি নিতে হয় খেলা থেকে। ২০১৬ তে আবারো ট্র‍্যাকে ফেরেন নিয়া, নিজের গোল্ড মেডেল ডিফেন্ড করার লক্ষ্যে এবং সফলও হয়েছিলেন। এবারের টাইমিং ৭.৮১ সেকেন্ড। একই বছর একই ইভেন্টে জিতেছিলেন অলিম্পিকে সিলভার মেডেল। 

 

নিয়া-আলি

 

ক্রিস্টি র‍্যাম্পনঃ 

ফুটবলার র‍্যাম্পন নিজেকে হিসাবের মধ্যে রাখতে বাধ্য করেন। নিজের শক্তি-সামর্থ্যের কারণে সুনাম ছিল আগেই, যা অব্যাহত থাকে সন্তান জন্মদানের পরেও। বিশ্বকাপ আর অলিম্পিকের মত বড় আসরে নিজের দেশ যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করেন র‍্যাম্পন। এমনকি দুই সন্তানের জননী হওয়ার পরও চালিয়ে গেছেন খেলা। র‍্যাম্পনকে প্রত্যাবর্তন করতে হয়েছে দুইবার। প্রথমটা ২০০৫ সালে প্রথম সন্তানের জন্মের পর, আর পরেরটা ২০১০ সালে দ্বিতীয় সন্তানের জন্মের পর। ২০১২ এর অলিম্পিকে যুক্তরাষ্ট্র দলের অধিনায়ক হিসেবে জিতেছেন স্বর্ণ পদকও।


leaderboard-banner